মুলতানি মাটির উপকারিতা: ত্বক ও চুলের যত্নে মূলতানি মাটি- মুলতানি মাটি ব্যবহারের নিয়ম

0
56
মুলতানি মাটি
মুলতানি মাটির উপকারিতা কি

মুলতানি মাটি হচ্ছে এমন এক বিশেষ একটি মাটি যেটি পৃথিবীর সব জায়গায় পাওয়া যায় না। প্রাকৃতিক ভাবে মুলতানি মাটি সৃষ্টি হয় এমন অল্প কিছু জায়গা রয়েছে মাত্র। যেমনঃ  আঠারশো শতাব্দীতে পাকিস্তানে অবস্থিত মুলতান শহরে মাটি খুঁড়তে যেয়ে চুনযুক্ত কাদামাটির দলা পাওয়া গেলো। স্থানীয় লোকজন একটু অবাকই হলো কারণ এটা পরিষ্কারক হিসাবে দারুণ কাজ করছিলো। এটি মুখে মাখলে ত্বক পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি গায়ের রং উজ্জ্বল হয়, তেলতেলে ভাব গায়েব হয়ে যায়, এমন অনেক গুণাবলি তারা লক্ষ্য করলো। তখন থেকেই মুলতানি মাটি ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়ে গেল। মুলতান শহরে এই মাটির সন্ধান সর্বপ্রথম পাওয়া গিয়েছিল বলেই এই নামটা সে শহরের নাম অনুসারে মুলতানি মাটি রাখা হয়েছে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা যত বেশি আপডেট এবং আধুনিক হই না কেন তার পরেও প্রতিটা পদক্ষেপে বা জীবনের এমন কিছু কিছু সময় এমন কিছু কিছু বিষয়ে  আমরা এখনো পর্যন্ত আগের বা আমাদের অতীতের অর্থাৎ আমাদের প্রাকৃতিক বিষয়ের উপর আমরা অনেক নির্ভরশীল। তেমনি প্রাকৃতিক বিষয়ের একটি উদাহরণ হল মুলতানি মাটি/ ফুলার’স আর্থ। ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইডে সমৃদ্ধ এই মুলতানি মাটি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে দূর করে ত্বককে ভিতর থেকে সুন্দর করে তোলে। মুলতানি মাটির ব্যবহার ত্বককে উজ্জ্বল করার সাথে সাথে ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। মুলতানি মাটি ত্বকের মৃতকোষ পরিষ্কার করে তাকে শ্বাস নিতে সাহায্য করে।ত্বকের যত্নের পাশাপাশি এটি চুলের যত্নেও সমানভাবে কার্যকরী। কোমল ও সতেজ ত্বক পাওয়া থেকে শুরু করে মুখের অবাঞ্ছিত কালো দাগ এবং রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে দারুণ কার্যকরী এই মুলতানি মাটি।

সৌন্দর্যচর্চায় বহু যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মুলতানি মাটি। মুলতানি মাটি বা ফুলার’স আর্থ প্রাকৃতিক খনিজে ভরপুর। অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড সমৃদ্ধ এই মাটি ধুলোময়লা পরিষ্কার ও অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে দূর্দান্ত কার্যকরী।

কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ও চুল পরিষ্কার এবং তৈলাক্ত ভাব দূর করতে মুলতানি মাটির ব্যবহার খুবই কার্যকর। স্কিনের ধরণ অনুযায়ী মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে মুলতানি মাটির উপকারিতা ভালোই পাবেন। ঘরোয়া রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকরী। জেনে নিন মূলতানি মাটি ব্যবহারে উপায় ও এর উপকারিতা—

শরীর এক্সফলিয়েট করতে: এটি প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসাবে কাজ করে। অর্থাৎ ত্বকে জমে থাকা ডেড সেলস, ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।সারা শরীর থেকে ময়লা, জীবাণু ও ঘাম দূর করতে আলতোভাবে এক্সফলিয়েট করা দরকার। বিশেষ করে ঘাড়, বগল, হাঁটু, কনুই ইত্যাদি। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি ও চাইলে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শরীর স্ক্রাব করুন। মৃত কোষ দূর হয়ে যাবে।

তৈলাক্ত ত্বকের মাস্ক: অয়েলি স্কিন ভালো রাখার জন্য যতগুলো প্রাকৃতিক উপাদান আছে, তার মধ্যে মুলতানি মাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। আর এটা তৈলাক্ত ত্বকে চমৎকার কাজ করে। মুলতানি মাটি ওপেন পোরস ও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা ও দূর করে। তবে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় না বলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপের সমসা দূর করতে মুলতানি মাটির সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে নিন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মুলতানি মাটি খুব উপকারী। মুলতানি মাটির সঙ্গে শুধু গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুনঃ   বুকে জমা কফ দূর করার উপায়

অথবা, মুলতানি মাটির সাথে গোলাপ জল ও শসার রস মিশিয়ে ফেইস প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকের প্রতিটি উপকরণই অয়েলি স্কিনের জন্য ভালো। ১০ থেকে ১৫ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলবেন। সপ্তাহে ১/২ বার ব্যবহার করতে পারেন এই প্যাকটি। হাতের কাছে যদি অ্যালোভেরা জেল, এসেনশিয়াল অয়েল বা গোলাপের পাপড়ি গুঁড়ো থাকে, তাহলে সেগুলোও মিলিয়ে দিতে পারেন। কোনো উপাদানে যদি আপনার এলার্জি থেকে থাকে, তাহলে সেটা বাদ দিতে হবে।

দাগ ছোপ দূর করে: দাগ দূর করতে মুলতানি মাটির চেয়ে ভালো কাজ অন্য কোনো উপাদান করে না। পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সম্পূর্ণ মুখ অথবা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।ব্রণের দাগ, সানট্যান, ব্লেমিশসহ যেকোনো কালো দাগ সারিয়ে তুলতে মুলতানি মাটির জুড়ি নেই।

চুলের মাস্ক: মুলতানি মাটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে ও সজীবভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। এটা সম্পূর্ণ চুলেও ব্যবহার করা যায়। ফলে‌ চুল হয় আর্দ্র ও প্রাণবন্ত।

চুলের যত্নে:

আগেই বলেছি =শুধু ত্বকের যত্নেই নয়, মুলতানি মাটি চুল পরিষ্কার করার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভাবে উপযোগী। চুল ও স্ক্যাল্পের চিটচিটে ভাব দূর করতে নারকেল তেলের সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে হেয়ার প্যাক হিসেবে লাগাতে পারেন শ্যাম্পুর আগে।

সোজা চুল পেতে মুলতানি মাটি:

প্রাকৃতিক ভাবে সোজা চুল পেতে এক কাপ মুলতানি মাটির সাথে ৫ চা চামচ চালের গুঁড়া এবং একটি ডিমের সাদা অংশ ভালো মত মেশান। প্রয়োজনে একটু পানি দিন পেস্ট তৈরি করার জন্য। এবার এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায় এবং চুলে ভালো মত লাগান এবং লাগানোর সময় একটি মোটা চিরুনি দিয়ে চুল নীচের দিকে আঁচড়াতে থাকুন। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এরপর শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে চুল সিল্কি এবং সোজা হবে

রুক্ষ এবং প্রাণহীন চুলের জন্য মুলতানি মাটি:

রুক্ষ এবং প্রাণহীন চুলের জন্য ৪ চা চামচ মুলতানি মাটি, আধা কাপ টক দই, অর্ধেক লেবুর রস এবং ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে সারা চুলে ভালো মত লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে চুল শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন।

শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের নির্জীবভাব ও ‘পিগ্মেন্টেইশন’ দূর করতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। মধু ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। অথবা, শুষ্ক ত্বকের জন্য মুলতানি মাটির সঙ্গে সামান্য দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করা ভাল। তবে কোন কোন এক্সপার্ট বলেন -ত্বক বেশি শুষ্ক হলে মুলতানি মাটি বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।

আরও পড়ুনঃ   দ্রুত ওজন কমানোর কার্যকরী টোটকা

ঘরোয়া রূপচর্চায় নরমাল এবং শুষ্ক ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির আরেকটি ফেসপ্যাক –
দই কিংবা দুধের সাথে মুলতানি মাটি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। মধু, বেসন, অ্যালোভেরা জেল এগুলোও প্যাকে যোগ করতে পারেন। সপ্তাহে ১/২ বার ব্যবহার করুন এই প্যাকটি। এক্সফোলিয়েশনের জন্য আলতো হাতে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করতে হবে। কিছুদিন ব্যবহার করলে আপনি নিজেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন।

প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে মুলতানি মুলতানি মাটির ব্যবহার:

মুলতানি মাটি স্ক্রাব হিসেবেও খুব ভালো কাজ করে। সামান্য মধু ও আমন্ড গুঁড়া মিশিয়ে এটি ত্বকে লাগাতে হবে। এছাড়াও মৃত কোষ দূর করে ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে ওটমিলের সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়।
অথবা, আমন্ড কিছুটা গুঁড়া করে এর সাথে গ্লিসারিন এবং এক চা চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে হালকাভাবে ঘষুন। এই স্ক্রাবটি কনুই বা ঘাড় থেকে কালো দাগ তুলে ফেলতে হেল্প করতে। সামান্য চিনি দিয়ে নাকের দুইপাশে ঘষলে ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইট হেডস দূর করতে কার্যকরী ভুমিকা পালন করবে।
অন্য কথায়, স্ক্রাবার হিসেবেও মুলতানি মাটি খুব কার্যকরী। ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডস দূর করতে মুলতানি মাটি দারুণ কাজ দেয়। মুলতানি মাটির সঙ্গে কাজুবাদাম বাটা ও গ্লিসারিন মিশিয়ে স্ক্রাবার বানিয়ে মুখের ত্বক স্ক্রাব করতে পারেন।

মুখে সূর্যের পোড়া দাগ বা পিগমেনটেশন দূর করতে মুলতানি মাটির ব্যবহার:

মুখে সূর্যের পোড়া দাগ বা পিগমেনটেশন দূর করতেও মুলতানি মাটি সমানভাবে কার্যকরী। আমন্ড অয়েল বা ক্যাস্টর অয়েল এর সাথে মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। এটি ত্বকের পিগমেনটেশন দূর করার সাথে সাথে ত্বক নরম করতেও সাহায্য করে।

অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে মুলতানি মাটির ব্যবহার:

অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে মুলতানি মাটি। আপানার মুখে যদি ব্রনর দাগ থেকে যায়, তা হলে চিন্তার কোন কারণ নেই। নিম পেস্ট এর সঙ্গে লবঙ্গ গুঁড়ো, কর্পূর, মুলতানি মাটি ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। সপ্তাহে ৪ দিন বা চাইলে প্রতি দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন ত্বকে ব্রনর কালো দাগ দূর করার জন্য।

কম্বিনেশন ত্বকে

কম্বিনেশন ত্বকের ক্ষেত্রে মুলতানি মাটির প্যাক তৈরি করতে সামান্য হলুদ, দুধ আর মধু মিশিয়ে নিন। ব্রণ বা অ্যাকনেযুক্ত ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটি আর চন্দন প্যাক ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

মুলতানি মাটি ব্যবহারের আরও কারণ ও নিয়ম:

-মুলতানি মাটি ত্বকের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।
-ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে এবং ত্বককে টান টান রাখতে মুলতানি মাটি কামাল দেখায়। এর ব্যবহারে ত্বকে ব্রন ও বলিরেখা দূর হয় এবং ত্বক দেখায় উজ্জ্বল।
-ব্রন হওয়ার পর ত্বকে ছোট ছোট গর্ত দেখা দেয়। তাও আপনি দূর করতে পারেন মুলতানি মাটি দিয়ে। গাজর বাটা, মুলতানি মাটি ও সামান্য অলিভ অয়েল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুনঃ   সহজ ঘরোয়া উপায়ে বিদায় জানান সর্দিকাশিকে!

-ত্বক কে ঠান্ডা করা থেকে শুরু করে ত্বক উজ্জ্বল করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
-এই ঐতিহ্যবাহী মাটি বিভিন্ন উপাদান পদার্থসমৃদ্ধ যেমন, এলুমিনিয়াম, সিলিকেট উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন যা ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে।
-তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মুলতানি মাটি অত্যন্ত উপকারী।

-যদি আপনার হাতের কাছে মুলতানি মাটি থাকে তাহলে আপনার মুখে যে জায়গায় ব্রণ উঠেছে বা উটার সম্ভাবনা আছে সে জায়গায় আপনি যদি একটু করে মুলতানি মাটি লাগিয়ে রেখে শুয়ে সকালবেলা উঠে দেখবেন, আপনার মুখে ব্রণের অস্তিত্ব নেই।
-মুলতানি মাটি ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে এবং অতিরিক্ত তেল দূর করে ত্বককে পরিষ্কার করে তুলে।
-এটি ত্বক কে ঠাণ্ডা অনুভূতি প্রদান করে এবং ব্রণের কারণে সৃষ্ট তীব্র প্রদাহ থেকে মুক্তি প্রদান করে।
-রোদে পোড়া ত্বক সারিয়ে তুলতেও মুলতানি মাটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
– এটি মুখের রোমকূপের ময়লা ভিতর থেকে পরিষ্কার করে যার ফলে ব্রণের সংক্রমণ কমে যায়। এছাড়াও এর ফলে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

– ত্বককে বার্ধক্যের ছাপ থেকে রক্ষা করতে এক চা চামচ মুলতানি মাটির সাথে এক চা চামচ টক দই এবং একটি ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এটি সারা মুখে ভালো মত লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বক টানটান করে এবং স্কিন টোন সমান করতে সাহায্য করে।

– ব্রণের সমস্যা যদি খুব বেশি হয়ে থাকে তাহলে কিছু নিম পাতা বেটে মুলতানি মাটির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের সমস্যা কমে যাবে।

– অনেকেরই একটা কমন সমস্যা হল যে হাত পায়ের রঙ মুখের রঙ থেকে কালো হয়। এই সমস্যা সমাধানে পরিমাণ মত মুলতানি মাটি, বেসন এবং কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটি হাত পায়ে ভালো মত লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট বা শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসলের আগে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাত পায়ের ত্বক উজ্জ্বল এবং নরম করে।

বিডি হেলথ মুলতানি মাটি:
আজকাল খাঁটি জিনিস খুঁজে পাওয়াটা একটু কঠিনই! তাই ভেজালের ভিড়ে বিডি হেলথ মুলতানি মাটি নিয়ে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন। তবে অনলাইনে বাজারজাত শুরু করতে আমাদের অন্তত আরো কয়েকমাস সময় লাগবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × 3 =